জুনায়রাহ নায়াব আনাম
বর্তমান সময়ে সোশ্যাল মিডিয়া আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটি বড় অংশ হয়ে উঠেছে। ঘুম থেকে ওঠার পর থেকে রাতের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আমরা অনেকেই ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক বা অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করি। এগুলো আমাদের বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে, নতুন কিছু জানতে এবং বিনোদন পেতে সাহায্য করে। তবে অতিরিক্ত বা অস্বাস্থ্যকরভাবে ব্যবহার করলে সোশ্যাল মিডিয়া আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাবও ফেলতে পারে।
সোশ্যাল মিডিয়া কীভাবে মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলে?
সোশ্যাল মিডিয়ায় আমরা প্রায়ই অন্যদের জীবনের সুন্দর মুহূর্তগুলোই বেশি দেখি। কারও ভ্রমণ, সাফল্য বা আনন্দের ছবি দেখে অনেক সময় নিজের জীবনের সঙ্গে তুলনা করতে শুরু করি। এতে মনে হতে পারে, অন্য সবাই অনেক ভালো আছে, শুধু আমরাই পিছিয়ে আছি। এই ধরনের তুলনা ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দিতে পারে এবং নিজের প্রতি অসন্তুষ্টি তৈরি করতে পারে।
এছাড়াও, দীর্ঘ সময় ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় থাকলে ঘুমের সমস্যা, মনোযোগ কমে যাওয়া এবং উদ্বেগও বাড়তে পারে। সব সময় নোটিফিকেশন দেখা বা অন্যদের প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় থাকা অনেকের জন্য মানসিক চাপের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কখনও কখনও নেতিবাচক মন্তব্য বা অনলাইন হয়রানিও একজন মানুষের মানসিক সুস্থতাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করতে পারে।
কীভাবে সোশ্যাল মিডিয়া স্বাস্থ্যকরভাবে ব্যবহার করবেন?
সোশ্যাল মিডিয়া পুরোপুরি ছেড়ে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং সচেতনভাবে ব্যবহার করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
প্রতিদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় কত সময় কাটাচ্ছেন, তা সীমিত রাখার চেষ্টা করুন।
এমন মানুষ বা পেজ অনুসরণ করুন, যেগুলো আপনাকে ইতিবাচক ও অনুপ্রাণিত অনুভব করায়।
নিজের জীবনকে অন্যের সঙ্গে তুলনা করার বদলে নিজের অগ্রগতির দিকে মনোযোগ দিন।
প্রয়োজনে কিছু সময়ের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বিরতি নিন এবং সেই সময় পরিবার, বন্ধু বা নিজের পছন্দের কাজে সময় দিন।
কখন সহায়তা নেওয়া উচিত?
যদি সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের কারণে আপনি দীর্ঘদিন ধরে দুশ্চিন্তা, বিষণ্নতা, আত্মবিশ্বাসের অভাব বা একাকীত্ব অনুভব করেন এবং তা আপনার পড়াশোনা, কাজ বা দৈনন্দিন জীবনকে প্রভাবিত করতে শুরু করে, তাহলে একজন মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলা গুরুত্বপূর্ণ।
সোশ্যাল মিডিয়া নিজে ভালো বা খারাপ নয়, এটি কীভাবে ব্যবহার করছি, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সচেতনভাবে ব্যবহার করলে এটি আমাদের শেখার, যোগাযোগের এবং আনন্দ পাওয়ার একটি দারুণ মাধ্যম হতে পারে। তবে বাস্তব জীবন, নিজের মানসিক সুস্থতা এবং প্রিয় মানুষদের জন্য সময় দেওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
ব্লগটি মনের বন্ধু এক্সপার্ট দ্বারা রিভিউয়ের পরে প্রকাশিত
এই ব্লগের একমাত্র উদ্দেশ্য মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি করা। পাঠকের বোঝার সুবিধার্থে এতে কিছু প্রতীকি ঘটনা ব্যবহার করা হয়েছে।
এই ব্লগ বা এর কোনো অংশ পড়ে কেউ আঘাতপ্রাপ্ত হলে তার জন্য লেখক ও ‘মনের বন্ধু’ দায়ী নয়। মনের ওপর চাপ অনুভব করলে বা মানসিকভাবে ট্রিগার্ড অনুভব করলে দ্রুত মনের বন্ধু বা যেকোনো মানসিক স্বাস্থ্যবিদের সাথে যোগাযোগ করুন।
মনের বন্ধুতে কাউন্সেলিং নিতে যোগাযোগ করুন: ০১৭৭৬৬৩২৩৪৪।
📍: ৮ম ও ৯ম তলা, ২/১৬, ব্লক-বি, লালমাটিয়া, ঢাকা
Mental stress is our emotional and psychological response when we feel overwhelmed, pressured, or threatened by challenging situations.
Though the era has moved on, the society of our country is still dark. I am saying this because almost all families in our country think “What is mental health again? What is depression?
In the bustling streets of Bangladesh, amidst the vibrant culture and rich traditions, lies a silent struggle that often goes unnoticed—the mental health challenges faced by Bangladeshi men. While the
নারীদের গোটা জীবন আসলে হরমোনের ওঠানামা দিয়ে ভীষণ প্রভাবিত। সেই কিশোরীকাল থেকে মধ্যবয়স অবধি, মাঝে প্রেগনেন্সি, সন্তান প্রসব, ব্রেস্ট ফিডিং -- নানা সময়ে, নানা রকমের হরমোনের ওঠানামা নারীর শরীর ও মনকে নান